মঙ্গলবার | ৫ই মার্চ, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ | ২১শে ফাল্গুন, ১৪৩০ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
শ্রীমঙ্গলের সেন্ট মার্থাস উচ্চ বিদ্যালয়ের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরনী ফুলতলা ইউনিয়নে আইনশৃঙ্খলা সভা অনুষ্ঠিত মৌলভীবাজারে একতা যুব সংস্থার তাফসিরুল কোরআন মাহফিল ৩০ জানুয়ারি শীতার্ত মানুষের কল্যাণে স্টুডেন্ট ওয়েলফেয়ার সোসাইটির শীতবস্ত্র বিতরণ ‘বলাই-সজীব ভাই-ভাই, এক দড়িতে ফাঁসি চাই’ কুশিয়ারা পাড়ের ঐতিহ্যবাহী পৌষ সংক্রান্তির মাছের মেলা অদক্ষ চালক কেড়ে নিল প্রাণ; নতুন বই নিয়ে বাড়ি ফিরা হল না খাদিজার কুলাউড়ায় ঐতিহ্যবাহী ‘মাছের মেলা’ নবনির্বাচিত কৃষিমন্ত্রীকে ফুলেল শুভেচ্ছা দিয়েছে জেলা আওয়ামিলীগ শ্রীমঙ্গলে হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের উদ্যোগে ত্রিপুরা পল্লীতে শীতবস্ত্র বিতরন

মৌলভীবাজারে শীতের প্রকোপে বাড়ছে ঠান্ডাজনিত রোগ

অলি আহমদ মাহিন, মৌলভীবাজার
প্রকাশিত: বুধবার, ২৭ ডিসেম্বর, ২০২৩, ৬:৪৯ পূর্বাহ্ণ

গত কয়েকদিনের শীতের তীব্রতায় নাজেহাল মৌলভীবাজারের মানুষ। তীব্র শীত ও ঘন কুয়াশার কারণে মৌলভীবাজার ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল (সদর) হাসপাতালে দেখা দিয়েছে ঠান্ডাজনিত রোগের প্রাদুর্ভাব। এতে বেশিরভাগ আক্রান্ত হচ্ছে শিশুরা।

হাঁপানি, শ্বাসকষ্ট, ডায়রিয়া, নিউমোনিয়াসহ শীতজনিত বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত শিশুর সংখ্যা বাড়ছে। হাসপাতালের আন্তঃ ও বহির্বিভাগে ঠান্ডার প্রকোপে বিভিন্ন বয়সী রোগীর চাপ দেখা যায়। তবে নির্দিষ্ট পরিমাণ বেডের বিপরীতে রোগীর সংখ্যা বেশি হওয়ায় বারান্দায় চিকিৎসা নিচ্ছেন অনেকে। এতে দুর্ভোগে পড়েছেন রোগীর স্বজনরা। হাসপাতাল থেকে দেওয়া হচ্ছে বিনামূল্য ওষুধ মাঝে মধ্য কিছু ঔষধ কিনতে হচ্ছে হাসপাতালের বাইরে থেকে।

হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, প্রাথমিক চিকিৎসাসহ প্রতিদিন ৩০ থেকে ৩৫ ডায়রিয়া ও শ্বাসকষ্টে আক্রান্ত শিশু ভর্তি হচ্ছে। প্রতিদিন রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। শীত মৌসুম শুরুর পর থেকেই হাসপাতালে বাড়তে শুরু করে রোগীর চাপ।

চা বাগান থেকে আসা চম্পা কুর্মি বলেন, ‘আমার শিশু ডায়রিয়ায় আক্রান্ত ছিল, তাকে নিয়ে দশদিন হাসপাতালে রয়েছি। এখন সে অনেকটা সুস্থ। তাই আজ বাড়ি ফিরবো। সদর হাসপাতালের দায়িত্বরত নার্স জানান, শীতজনিত রোগের প্রাদুর্ভাব বাড়ায় প্রতিদিন বাড়ছে রোগীর সংখ্যা। শিশু ওয়ার্ডে বেডের বিপরীতে অধিক রোগী রয়েছেন।

মৌলভীবাজার ২৫০ শয্যা হাসপাতালের (ভারপ্রাপ্ত তত্তাবধায়ক) ডা. বিনেন্দু ভৌমিক জানান, শীতের প্রভাবে ঠান্ডাজনিত রোগের প্রাদুর্ভাব বাড়ার সঙ্গে রোগীর চাপও বাড়ছে। প্রতিদিন শিশুরা ডায়রিয়া, নিউমোনিয়া আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছেন। এদের মধ্যে অনেকে একদিনে আবার কেউ দুইদিন পর সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরছেন।


আরও পড়ুন
Hexus IELTS